আপনার যদি এমন একটি বাড়তি বা পার্ট টাইম আয়ের প্রয়োজন হয়, যেখানে নিজের সুবিধামতো সময়ে কাজ করতে পারবেন, বাসায় বসেই কাজ করতে পারবেন এবং পরিবারের অন্যান্য শিক্ষিত সদস্যদেরও কাজে যুক্ত করতে পারবেন, তাহলে Amazon Affiliate Marketing হতে পারে একটি সম্ভাবনাময় বিকল্প।
এমনকি কিছু সময় (কয়েক দিন, সপ্তাহ বা মাস) কাজ করতে না পারলেও আগে তৈরি করা কনটেন্ট ও ওয়েবসাইট থেকে প্রতিনিয়ত আয় আসার সুযোগ তো থাকছেই। সর্বোপরি, ফ্রিল্যান্সিংয়ের মতো নিয়মিত কাজ পাওয়ার জন্য আপনাকে কোনো ক্লায়েন্ট খুঁজতে হবে না।
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম Amazon.com-এর পণ্য প্রচার করে আপনি বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে এই কাজ করতে পারেন। আপনার মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে কোনো গ্রাহক Amazon-এ গিয়ে পণ্য কিনলে, সেই যোগ্য বিক্রয়ের বিপরীতে আপনি নির্দিষ্ট হারে কমিশন পাবেন।
Amazon-এর এই অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামটি Amazon Associates নামে পরিচিত এবং এটি ১৯৯৬ সালে শুরু হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চালু থাকা এই প্রোগ্রামটি আজও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের একটি পরিচিত মাধ্যম।
For Free Training and Support: Join Our Social Platforms
Facebook Page: Sarkar State Official Facebook Page
Facebook Group: Sarkar State – Official Facebook Group
YouTube Channel: Sarkar State – Official YouTube Channel
Want to Start Amazon Affiliate Marketing? Join My Step-by-Step Course: Amazon Affiliate Marketing Course
যে সকল কারণে Amazon Affiliate পার্টটাইম বা এস্কট্রা ইনকাম সোর্সের জন্য বেস্ট
- শেখার জন্য কোনো বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন নেই
- পার্ট টাইম বা অতিরিক্ত আয়ের জন্য সেরা মাধ্যম
- পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়েও কাজ করার সুযোগ রয়েছে
- ফ্রিল্যান্সিংয়ের মতো ক্লায়েন্ট খোঁজার ঝামেলা নেই
- সব ধরনের মানুষের জন্য উপযোগী
- নিজের সুবিধামতো কাজের সময়
- প্যাসিভ বা ধারাবাহিক আয়ের সুযোগ
- বর্তমান আয়ের 10-25 গুণ দামে ওয়েবসাইট বিক্রি
- বড় অঙ্কের আয়ের সুযোগ
- কম বিনিয়োগে শুরু করা যায়
- ইন্টারনেটে প্রচুর শেখার উপকরণ রয়েছে
- সাধারণ কম্পিউটার দিয়েই করা যায়
- নিজের পরিচয় গোপন রেখে কাজ করার সুযোগ
শেখার জন্য কোনো বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন নেই
আমাজন এফিলিয়াতে মার্কেটিং শুরু করার জন্য আপনার কোনো বিশেষ দক্ষতার প্রয়োজন নেই। এটি শেখা আশ্চর্যজনকভাবে সহজ। এখানে ফ্রিল্যান্সিং কাজ শেখার মত কোনো উন্নত পর্যায়ের দক্ষতা বা বিশেষজ্ঞ জ্ঞানের দরকার হয় না। শুরু করা এবং ধীরে ধীরে এগিয়ে যাওয়ার জন্য সঠিক গাইডলাইন ও ইংরেজির সাধারণ জ্ঞানই যথেষ্ট।
পার্ট টাইম বা অতিরিক্ত আয়ের জন্য সেরা মাধ্যম
বর্তমান সময়ে AI-এর প্রভাব, চাকরি থাকা-না-থাকার জটিলতা সর্বোপরি মূল্যস্ফীতি যেভাবে বাড়ছে, তাতে শুধু একটি আয়ের উৎসের ওপর নির্ভর করে চলা দিন দিন কঠিন এবং ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। তাই মূল কাজের পাশাপাশি পার্ট টাইম বা অতিরিক্ত আয়ের একটি নির্ভরযোগ্য উৎস তৈরি করা এখন অনেকের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ধরুন, আপনি কোনো অফিসে চাকরি করেন বা এমন কোনো পেশার সঙ্গে যুক্ত, যেখানে মূল কাজের পর আপনার হাতে কিছুটা অবসর সময় থাকে। সেই সময়টুকু যদি কাজে লাগিয়ে বাড়তি আয় করা যায়, আর কাজটি যদি নিজের বাসায় বসেই করা সম্ভব হয়, তাহলে এর চেয়ে ভালো আর কী হতে পারে? নিজের সুবিধামতো সময়ে কাজ করতে পারবেন, আবার কাজ কিছুদিন বন্ধ থাকলেও আপনার ইককাম বন্ধ থাকবে না – এরকম আরো অনেক সুবিধা তো আছেই।।
পার্ট টাইম বা অতিরিক্ত আয়ের মাধ্যম হিসেবে এখানেই Amazon Affiliate Marketing অন্য অনেক অনলাইন কাজের তুলনায় আলাদা সুবিধা তৈরি করে। কারণ, এটি শুধু সময়ের বিনিময়ে আয় করার পদ্ধতি নয়, বরং সঠিকভাবে একটি ওয়েবসাইট, কনটেন্ট এবং অডিয়েন্স তৈরি করতে পারলে দীর্ঘমেয়াদে একটি অনলাইন আয়ের সম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।
পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়েও কাজ করার সুযোগ রয়েছে
এই কাজের সবকিছু আপনাকেই একা করতে হবে, এমনটা নয়। চাইলে পরিবারের অন্য সদস্যদেরও এই কাজে যুক্ত করতে পারেন। আপনার স্ত্রী, স্বামী, ভাই, বোন, কাজিন কিংবা পরিবারের অন্য কোনো শিক্ষিত সদস্য যদি বর্তমানে বেকার থাকেন, বাসায় থাকেন বা অতিরিক্ত সময় পান, তাহলে তাদের সময় ও দক্ষতাকেও কাজে লাগানো সম্ভব।
তাদের দিয়ে খুবই সাধারণ, কিন্তু সময়সাপেক্ষ কিছু কাজ করিয়ে নিতে পারেন। যেমন, প্রোডাক্ট রিসার্চ করা, পোস্ট করা, AI-এর সাহায্যে প্রোডাক্ট রিভিউ ও আর্টিকেল তৈরি করা ইত্যাদি। এতে একদিকে যেমন আপনার কাজের চাপ কমবে, অন্যদিকে কাজের গতি ও উৎপাদনশীলতা অনেকটাই বেড়ে যাবে।
এভাবে ধীরে ধীরে একাই কাজ করার পরিবর্তে আপনার একটি ছোট পারিবারিক টিমও তৈরি হয়ে যেতে পারে। পরিবারের কয়েকজন সদস্য একসঙ্গে নিজেদের অবসর সময়কে কাজে লাগিয়ে একটি অতিরিক্ত আয়ের উৎস তৈরি করতে পারেন। অর্থাৎ, একজনের পরিবর্তে কয়েকজন মিলে কাজ করলে একই সময়ে বেশি কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে, আর সঠিক পরিকল্পনা ও পরিচালনার মাধ্যমে আয়ের সম্ভাবনাও অনেক বেড়ে যেতে পারে।
ফ্রিল্যান্সিংয়ের মতো ক্লায়েন্ট খোঁজার ঝামেলা নেই
আমার ব্যক্তিগতভাবে সবচেয়ে বেশি ভালো লাগা সুবিধাগুলোর একটি হলো, ফ্রিল্যান্সিংয়ের মতো নিয়মিত ক্লায়েন্ট বা কাজ খুঁজে বেড়াতে হয় না। ফ্রিল্যান্সিংয়ে অনেক নতুন ফ্রিল্যান্সার প্রশিক্ষন নেবার পরও প্রথম কাজটি পেতে সমস্যায় পড়েন।
এই সমস্যা নতুন শেখা ফ্রিল্যান্সারদের ৯৫% থেকে ৯৮% ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে। কাজ না পাওয়ার হতাশায় অনেক নতুন ফ্রিল্যান্সার শুরুতেই হাল ছেড়ে দেন এবং ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারে এগিয়ে যেতে পারেন না।
আবার কিছু কাজ পেলেও নিয়মিত কাজ না পাবার কারনে পরবর্তীতে আর সাসটেইন করতে পারেন না।
অন্যদিকে, Amazon Affiliate Marketing-এ প্রশিক্ষণের শুরু থেকেই আপনি নিজের ওয়েব সাইট তৈরি ও সেটির ওপর কাজ করতে থাকেন। অন্য কারও কাছ থেকে কাজ পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হয় না। সঠিকভাবে কাজ করতে পারলে অনেক ক্ষেত্রে ১ থেকে ৩ মাসের মধ্যেই আয় শুরু হতে পারে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ চলাকালীন সময়েও প্রথম আয় আসতে পারে।
সব ধরনের মানুষের জন্য উপযোগী
আপনি কোন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন বা কোন পেশায় আছেন, সেটি এখানে বড় কোনো বিষয় নয়। প্রায় যেকোনো ব্যাকগ্রাউন্ডের মানুষ এই কাজ শুরু করতে পারেন। শুরু করার জন্য ইংরেজির সাধারণ জ্ঞান থাকলেই যথেষ্ট।
নিজের সুবিধামতো কাজের সময়
Amazon Affiliate Marketing-এর যে বিষয়টি আমার ব্যক্তিগতভাবে সবচেয়ে ভালো লাগে, তা হলো কাজের সময়ের স্বাধীনতা। আপনার সুবিধামতো যেকোনো সময়ে কাজ করতে পারেন। নির্দিষ্ট সময়সূচির মধ্যে আটকে থাকতে হয় না।
ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে অনেক সময় রাত জেগে কাজ করতে হয়, ক্লায়েন্টের কঠোর ডেডলাইন মেনে চলতে হয় এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ জমা দিতে হয়। কিন্তু Amazon Affiliate Marketing-এ নিজের সময় নিজের মতো করে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এখানে নির্দিষ্ট কোনো অফিস সময় নেই। সবকিছু ঠিক থাকলে, আপনি যত বেশি সময় ও পরিশ্রম দেবেন, আপনার আয়ের সম্ভাবনাও ও পরিমাণ তত দ্রুত বাড়বে।
প্যাসিভ বা ধারাবাহিক আয়ের সুযোগ
Amazon Affiliate Marketing-এর যে বিষয়টির জন্য আমি সবাইকে এটি শেখার জন্য সবচেয়ে বেশি সুপারিশ করি, সেটি হলো প্যাসিভ বা ধারাবাহিক আয়ের সুযোগ।
ধরুন, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার ছয় মাস পর আপনার গড় মাসিক আয় দাঁড়াল $100। এরপর কোনো কারণে আপনি সমস্যায় পড়লেন বা অসুস্থ হয়ে গেলেন যার ফলে এক সপ্তাহ, দুই সপ্তাহ কিংবা কয়েক মাসের জন্য কাজ থেকে বিরতি নিলেন। আপনি যে দিন থেকে কাজ বন্ধ করলেন সে দিন থেকেই আপনার আয় হঠাৎ করে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে না।
উক্ত কাজ না করার সময় অবধিতে আয় কিছুটা কমে যেতে পারে, যেমন ১০% থেকে ৩০% পর্যন্ত কিন্তু বন্ধ হবে না। আবার কিছু ক্ষেত্রে আপনার কনটেন্টের পারফরম্যান্স ভালো থাকলে আয় আপরিবর্তিত বা আরও বাড়তেও পারে। এ কারণেই Amazon Affiliate Marketing একটি নির্ভরযোগ্য প্যাসিভ বা ধারাবাহিক আয়ের উৎস হিসেবে এত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
আপনি কাজ না করলেও আপনার কষ্টে তৈরি করা ওয়েব সাইট দিন-রাত, 24 ঘন্টা, বছরের 365 দিন, লাইভ থাকবে এবং সেখানে ভিজিটর আসতে থাকবে এবং সেলও হতে থাকবে যার ফলে আপনি কমিসন পেতেই থাকবেন।
একে তুলনা করতে পারেন বাসা ভাড়া দেবার মত। অর্থাৎ আপনি কষ্ট করে একটি বাড়ি তৈরি করেছেন এবং সেটি ভাড়া দিয়েছেন, এখন আপনি কিছু না করেও প্রতি মাসে মাসে বাড়ি ভাড়া পাচ্ছেন।
বর্তমান আয়ের 10-25 গুণ দামে ওয়েবসাইট বিক্রি
Amazon Affiliate Marketing-এর আরেকটি সুবিধা আমার কাছে বেশ আকর্ষণীয়। এটি অন্য অনেক অনলাইন ব্যবসার মডেলের তুলনায় আলাদা, কারণ আপনার তৈরি করা ওয়েবসাইট ভবিষ্যতে একটি বড় অঙ্কের টাকায় বিক্রি করতে পারেন।
ধরুন, আপনার ওয়েবসাইট থেকে নিয়মিত প্রতি মাসে প্রায় $100 আয় হচ্ছে এবং গত ছয় মাসের গড় মাসিক আয়ও প্রায় একই। হঠাৎ আপনার টাকার প্রয়োজন হলে আপনি সেই ওয়েবসাইটটি তার মাসিক আয়ের ১০ থেকে ২৫ গুণ দামে বিক্রি করতে পারেন। অর্থাৎ, ওয়েবসাইটটি থেকে সহজেই $1,000 থেকে $2,500 পর্যন্ত পাওয়া সম্ভব।
তবে বাস্তবে একটি ওয়েবসাইটের মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে আরও অনেক বিষয় বিবেচনা করা হয়। যেমন ট্রাফিকের মান, নিসের স্থিতিশীলতা, কনটেন্টের গভীরতা এবং ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা। ভালোভাবে বেড়ে ওঠা এবং উচ্চ সম্ভাবনাময় ওয়েবসাইট অনেক সময় মাসিক আয়ের ২৫ গুণেরও বেশি দামে বিক্রি হয়। তাই এটি শুধু দীর্ঘমেয়াদি আয়ের সম্পদ নয়, ভবিষ্যতে বড় অঙ্কের অর্থ পাওয়ার একটি কার্যকর সুযোগও তৈরি করে।
বড় অঙ্কের আয়ের সুযোগ
শুরুতে Amazon Affiliate Marketing-কে পার্ট টাইম বা অতিরিক্ত আয়ের উৎস হিসেবে শুরু করাই ভালো। তবে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় দেখেছি, ধারাবাহিকতা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে এটি অনেক বড় পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। ফলাফল ভালো হতে শুরু করলে বা আপনার কাজের অভিজ্ঞতা 1-2 বছর হলে টিম তৈরি করে বা অতিরিক্ত লেখক নিয়োগের মাধ্যমে কাজের পরিধি বাড়ানো যায়।
তখন আপনি আর একা কাজ করবেন না, বরং একটি সিস্টেম তৈরি করবেন। সঠিক পরিকল্পনা ও কৌশল অনুসরণ করে, সময়ের সঙ্গে একটি টিম তৈরি করে, Amazon Affiliate Marketing কে একটি বড় আয়ের ব্যবসায় পরিণত করা যেতে পারে।
কম বিনিয়োগে শুরু করা যায়
আমার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, অনলাইনে শুরু করার জন্য এটি তুলনামূলকভাবে কম খরচের একটি ব্যবসা। শুরুতেই বড় বাজেটের প্রয়োজন হয় না। প্রধান খরচের মধ্যে রয়েছে একটি ডোমেইন, যার দাম সাধারণত $15 থেকে $18-এর মতো, এবং হোস্টিং, যার জন্য কোম্পানি ও প্যাকেজ ভেদে বছরে প্রায় $20 থেকে $40 খরচ হতে পারে।
এর বাইরে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হলো আপনার সময়। কনটেন্ট তৈরির ক্ষেত্রে AI ব্যবহার করলেও অবশ্যই মানুষের সম্পাদনা ও অভিজ্ঞতার ছোঁয়া থাকা দরকার। চাইলে নিজেও কনটেন্ট লিখতে পারেন। সবকিছু হিসাব করে পরিচালনা করতে পারলে বছরে মোট খরচ প্রায় $40 থেকে $60-এর মধ্যে রাখা সম্ভব। এর বাইরে অতিরিক্ত খরচ তুলনামূলকভাবে খুবই কম।
ইন্টারনেটে প্রচুর শেখার উপকরণ রয়েছে
Amazon Affiliate Marketing আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৯৬ সালে শুরু হয়। এরপর থেকে এটি ইন্টারনেট মার্কেটিংয়ের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সময়ের সঙ্গে এটি বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে পরিণত হয়েছে এবং এখনো ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এত দীর্ঘ সময় ধরে চালু থাকার কারণে ইন্টারনেটে Amazon Affiliate Marketing নিয়ে প্রচুর প্রশিক্ষণ, গাইড এবং শেখার উপকরণ পাওয়া যায়। কীভাবে কাজ করতে হবে, কীভাবে ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে এবং কীভাবে অ্যাফিলিয়েট আয় বাড়ানো যায়, এসব বিষয়ে অসংখ্য রিসোর্স রয়েছে।
তবে আমি লক্ষ্য করেছি, পুরোনো অনেক রিসোর্স বর্তমান দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে আর আগের মতো কার্যকর নয়। একই সঙ্গে বর্তমানে বাস্তবে কাজ করে এবং দ্রুত ফলাফল আনতে পারে এমন আপডেটেড পদ্ধতির ভালো রিসোর্স তুলনামূলকভাবে কম। তাই আমি বর্তমানে বাস্তবে কাজ করছে এমন কৌশল ও প্রশিক্ষণ নিয়েই বেশি গুরুত্ব দিয়ে কাজ করি।
যেমন গুগলের চাইতে বিং ও অন্যান্য এআই সার্স ইনজিনকে টারগেট করে কাজ করা। ইউটিউবের চাইতে নিজের ওয়েবসাইটে বা ব্লগ নিয়ে কাজ করা অনেক নিরাপদ ও টেকসই।
সাধারণ কম্পিউটার দিয়েই করা যায়
আমাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার জন্য উচ্চ কনফিগারেশনের কম্পিউটারের প্রয়োজন নেই। একটি সাধারণ সেকেন্ড-হ্যান্ড বা নতুন কম্পিউটার দিয়েই এই কাজ সহজে করা যায়। চাইলে ২০,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকার মধ্যে একটি সেকেন্ড-হ্যান্ড ল্যাপটপ, ৫০,০০০ থেকে ৬০,০০০ টাকার মধ্যে একটি নতুন ল্যাপটপ, অথবা ২০,০০০ থেকে ৩৫,০০০ টাকার মধ্যে একটি ডেস্কটপ কম্পিউটার ব্যবহার করে কাজ শুরু করতে পারেন।
তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি, স্মার্টফোন দিয়ে আমাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের পুরো কাজ পরিচালনা করা বেশ কঠিন। ওয়েবসাইট পরিচালনা, কনটেন্ট লেখা, কিওয়ার্ড রিসার্চ, SEO এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজের জন্য একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থাকাই ভালো।
নিজের পরিচয় গোপন রেখে কাজ করার সুযোগ
সোশ্যাল মিডিয়ায় ইনফ্লুয়েন্সার হওয়া বা ভ্লগিং করার ক্ষেত্রে সাধারণত নিজের আসল পরিচয় প্রকাশ করতে হয়। অনেকের জন্য বিষয়টি ব্যক্তিগত গোপনীয়তার দিক থেকে অস্বস্তিকর হতে পারে। কিন্তু Amazon Affiliate Marketing-এর ক্ষেত্রে আপনি নিজের ব্যক্তিগত পরিচয় ব ছবি প্রকাশ না করেই কাজ করতে পারেন। ফলে নিজের গোপনীয়তা বজায় রেখে স্বাচ্ছন্দ্যে অনলাইনে আয় তৈরি ও বৃদ্ধি করার সুযোগ থাকে।